১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাটিকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪. প্রাপ্ত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ ও ০ এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যাবে তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা।
এই ছবিটি লক্ষ্য কর, নিয়ম অনুযায়ী ৬৬ কে প্রথমে ২ দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। ভাগফল ৩৩ এবং ভাগশেষ ০। তারপর ৩৩ কে আবার ২ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল ১৬ আর ভাগশেষ ১। ১৬ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল ৮ আর ভাগশেষ ০। এভাবে চলতে চলতে ২ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল ১ আর ভাগশেষ ০। ১ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ভাগফল দাঁড়াচ্ছে ০ আর ভাগশেষ ১। যেহেতু ভাগফল ০ পাওয়া গেছে, তাই ভাগ করার কাজটা এখানেই সমাপ্ত। এবার ফলাফল লেখার পালা। উপরের চার নং নিয়ম অনুযায়ী ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে লিখলে ফলাফল পাওয়া যায় ১০০০০১০। এখানে প্রথম যে ভাগশেষটি পেয়েছি, এটাকে বল হয় LSB: Least Significant Bit (সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্ক)। আর সর্বশেষ ভাগশেষটি হল MSB: Most Significant Bit (সর্ব্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্ক)।
সুতরাং, (৬৬)১০ = (১০০০০১০)২।

nice
উত্তরমুছুন